ইউক্রেনে সর্বাত্মক যুদ্ধ ঘোষণার পরিকল্পনা অস্বীকার করল রাশিয়া

আন্তর্জাতিক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:: সামনে ইউক্রেনে সর্বাত্মক যুদ্ধ ঘোষণা করবে রাশিয়া— এমন জল্পনাকে ‘অবাস্তব’ বলে উড়িয়ে দিয়েছে আক্রমণকারী দেশটি। খবর বিবিসি।

গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে শুরু হওয়া হামলাকে এখন পর্যন্ত ‘বিশেষ সামরিক অভিযান’ বলে আসছে মস্কো, যার মূল উদ্দেশ্য ‘নাৎসিমুক্তকরণ’। ইউক্রেনের পূর্ব ও দক্ষিণাঞ্চল জয়ের চেষ্টা করছে রাশিয়া।

১৯৪৫ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে নাৎসি বাহিনীর পরাজয়ের স্মরণে ৯ মে ‘বিজয় দিবস’ পালন করে রাশিয়া। দিনটির প্রতীকী তাৎপর্য এবং প্রচারণার গুরুত্ব পুতিন কাজে লাগাবেন বলে অনেক দিন থেকেই ধারণা করে আসছেন পশ্চিমা কর্মকর্তারা। তারা বলছে, এ দিন বিজয় কুচকাওয়াজ ব্যবহার করে সামরিক পদক্ষেপের ঘোষণা দিতে পারেন পুতিন।

তবে ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ বলেছেন, এই গুজবের কোনো সত্যতা নেই।

যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষা সচিব বেন ওয়ালেস গত সপ্তাহে বলেছিলেন, নাৎসিদের পরাজয় ও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সমাপ্তির স্মরণে অনুষ্ঠিত কুচকাওয়াজে সৈন্যদের গণসংহতি ও ইউক্রেনে নতুন করে চাপ দেওয়ার জন্য সমর্থন জোগাতে ব্যবহার করে যেতে পারে রাশিয়া।

এ সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট তথ্য নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, রাশিয়া সেদিন ঘোষণা করতে পারে ‘আমরা এখন বিশ্বের নাৎসিদের সঙ্গে যুদ্ধ করছি এবং আমাদের জনগণকে ব্যাপকভাবে সংগঠিত করতে হবে’।

এ দিকে সোমবার মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র নেড প্রাইস বলেছেন, প্রচারণার উদ্দেশ্যে ৯ মে কাজে লাগানো যায়— এমন সবকিছুই রাশিয়া করবে, তা বিশ্বাস করার যথাযথ কারণ আছে। নিয়মিত ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, ইউক্রেনের যুদ্ধক্ষেত্রে কৌশলগত ব্যর্থতা থেকে চোখ সরাতে নিশ্চিতভাবে রুশরা তাদের প্রচারণা আসলেই বাড়াচ্ছে।

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র আরও বলেন, ৯ মে রাশিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে যুদ্ধ ঘোষণা করতে পারেন—এমন গুঞ্জন তিনি দেখছেন। তিনি বলেন, ‘মস্কো যদি বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানকে যুদ্ধ ঘোষণায় ব্যবহার করে, সেটা হবে নিতান্তই স্ববিরোধিতা।’

সংবাদটি শেয়ার করুন