বড় ব্যবধানে হারের শঙ্কায় বাংলাদেশ

খেলাধুলা

ক্রীড়া ডেস্ক:: সেঞ্চুরিয়নে সিরিজের প্রথম টেস্টে ২২০ রানের বড় ব্যবধানে হেরেছিল বাংলাদেশ দল। পোর্ট এলিজাবেথ টেস্টেও দেখা দিয়েছে বড় হারের শঙ্কা। দক্ষিণ আফ্রিকার দেয়া ৪১৩ রানের জবাবে ব্যাট করতে নেমে শেষ বিকেলে শুরুতেই হারিয়ে বসে প্রথম তিন উইকেট। ফলে জিততে হলে বাংলাদেশকে পাড়ি দিতে হবে বড় পথ। আর ড্রয়ের জন্য অপেক্ষা করতে হবে শেষদিন পর্যন্ত।

তৃতীয় দিন শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ দাঁড়িয়েছে ৩ উইকেটে ২৭ রান।

পোর্ট এলিজাবেথ টেস্টে দক্ষিণ আফ্রিকার করা ৪৫৩ রানের জবাবে ব্যাট করতে নেমে মাত্র ২১৭ রানেই গুটিয়ে যায় সফররত বাংলাদেশ দল। এদিকে নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে ৫ উইকেটে ১৭৬ রান তুলে ইনিংস ঘোষণা করলে জয়ের জন্য বাংলাদেশের লক্ষ্য দাঁড়ায় ৪১৩ রান।

রান তাড়া করতে নেমে প্রথম ওভারে শূন্যরানে জয় এবং তৃতীয় ওভারে ব্যক্গিত ৭ রানে ফেরেন নাজমুল হোসেন শান্ত। আর ওপেনার তামিম ইকবালের ব্যাট থেকে আসে ১৩ রান। এখন ৫ রানে অপরাজিত রয়েছেন দলনেতা মুমিনুল হক।

এর আগে বাংলাদেশ দল ফলোঅনে পড়লেও দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নামে দক্ষিণ আফ্রিকায়। ব্যাট হাতে ওয়ানডে ধাচে রান তুলতে থাকেন দুই প্রোটিয়া ওপেনার ডেন এলগার এবং সারেল আরউই। ৬৯ বলে দলীয় ৬০ রানে ভাঙে প্রথম জুটি। ২৬ রানে ফেরেন এলগার। এরপর ব্যক্তিগত ৪১ রানে আউট হন আরউই। আর কেগান পিটারসেনের সংগ্রহ ১৪ রান।

এরপর ১২ রানে রিকেলটন, ৩০ রানে টেম্বা বাভুমা এবং ৬ রানে আউট হন উইয়ান মুল্ডার। আর ইনিংস ঘোষণা করার আগ পর্যন্ত অপরাজিতই ছিলেন কাইল ভেরিয়েন্নে। মাঠ ছাড়ার আগে ৩০ বলে তুলেন ৩৯ রান।

তৃতীয় দিনের শুরুতে নামে বৃষ্টি। খানিক পরেই বৃষ্টি থামলে মাঠে নামেন আগের দিনের দুই অপরাজিত ব্যাটার মুশফিকুর রহিম এবং ইয়াসির আলি রাব্বি। আর মাঠে নেমেই যেন রান তুলতে ব্যস্ত হয়ে উঠে রাব্বি। লিজার্ড উইলিয়ামসের করা প্রথম ওভারের প্রথম তিন বলে টানা তিন চার মারেন রাব্বি।

এরপর ষষ্ঠ উইকেট এই দুই ব্যাটার মিলে ইতিবাচক ক্রিকেটই খেলতে থাকেন। এ সময় দুজন মিলে গড়েন ৭০ রানের জুটি। দুজনই এগোচ্ছিলেন ফিফটির পথে। কিন্তু ফিফটি আর পূর্ণ করা হয়নি রাব্বির। ব্যক্তিগত ৪৬ রানে মাহারাজ বলে আউট হয়ে সাজঘরে ফিরে যান তিনি।

রাব্বি না পারলেও ফিফটি ঠিকই পূর্ণ করতে সক্ষম হয়েছেন বাংলাদেশ দলের অভিজ্ঞ ব্যাটার মুশফিকুর রহিম। কিন্তু ফিফটির পর বেশিক্ষণ ক্রিজে থাকা হয়নি তার। সিমোন হার্মারের বলে বোল্ড হয়েছেন ব্যক্তিগত ৫১ রানে। ১৩৬ বলে খেলা তার এই ইনিংসটি ৮টি চারে সাজানো।

এরপর ব্যাট হাতে সুবিধা করতে পারেননি কেউই। ৫ রানে তাইজুল, শূন্যরানে ইবাদত এবং ১১ রানে আউট হন মেহেদি হাসান মিরাজ। আর শূন্যরানে অপরাজিতই থাকেন খালেদ আহমেদ।

সংবাদটি শেয়ার করুন