‘আগামী ৫০ বছরেও ক্ষমতায় আসার কোনো সুযোগ নেই বিএনপির’

রাজনীতি

খবরটুডে ডেস্ক:: আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ বলেছেন, বিএনপির আগামী ৫০ বছরেও ক্ষমতায় আসার কোনো সুযোগ নেই। তাই তারা দেশে অস্থিরতা সৃষ্টির অপচেষ্টা করছে। সরকার এ ব্যাপারে সজাগ ও সতর্ক রয়েছে। আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীদের সতর্ক থাকতে হবে, মোকাবিলা করতে হবে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনকে কেন্দ্র করে শনিবার বিশেষ বর্ধিত সভায় এসব কথা বলেন তিনি।

হানিফ বলেন, বিএনপি বিরোধী দলে থাকতে ধ্বংসাত্মক কার্যকলাপ করে জনগণের ওপর বারবার আক্রমণ করেছে। যার ফলে তারা জনবিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। এই জনবিচ্ছিন্নতার কারণেই তারা দিশেহারা হয়ে সকালে এক কথা আবার বিকেলে আরেক কথা বলে। নানা ধরনের মিথ্যাচার করে জনগণকে বিভ্রান্ত করতে চায়। তাদের লক্ষ্য একটাই- দেশের উন্নয়ন-অগ্রগতিকে বাধাগ্রস্ত করা।

তিনি আরও বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যেকোনো অশুভ তৎপরতাকে রুখে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট। পাশাপাশি আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীদেরও সজাগ থাকতে হবে। বিশেষ করে বিএনপির মিথ্যাচারে জনগণ যেন বিভ্রান্ত না হয়, সে জন্য নেতা কর্মীদের ভূমিকা রাখতে হবে।

নতুন নির্বাচন কমিশন গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে গঠন করা হয়েছে উল্লেখ করে হানিফ বলেন, বিএনপির এখন নতুন ইস্যু হল নির্বাচন কমিশন। তারা যখন ক্ষমতায় ছিল তখন তাদের প্রধানমন্ত্রী তালিকা দিয়েছে আর রাষ্ট্রপতি গেজেট করে পাঠিয়ে দিয়েছে। এটি ছিল তাদের নির্বাচন কমিশন গঠন প্রক্রিয়া। শেখ হাসিনা ক্ষমতায় আসার পরে নির্বাচন কমিশন গঠনে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে সর্বোচ্চ পন্থা অবলম্বন করেছেন।

জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সংসদ সদস্য মুক্তিযোদ্ধা রআম. উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরীর সভাপতিত্বে সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন এমপি, ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ বিষয় সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী।

আরও ছিলেন- ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ আসনের সংসদ সদস্য বি.এম ফরহাদ হোসেন সংগ্রাম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ আসনের এবাদুল করিম বুলবুল এবং সংরক্ষিত নারী আসনের উম্মে ফাতেমা নাজমা বেগম প্রমুখ।

এর আগে গত ২০১৪ সালের ৩০ ডিসেম্বর জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। ওই সম্মেলনের মাধ্যমে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসনের সংসদ সদস্য র.আ.ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরীকে সভাপতি এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভার সাবেক চেয়ারম্যান আল মামুন সরকারকে সাধারণ সম্পাদক করে আংশিক কমিটি ঘোষণা করা হয়। পরবর্তীতে ৭১ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন দেয়া হয়।

সংবাদটি শেয়ার করুন